স্মরণেIn Memoriam

মোঃ আজাদুল কবির আরজু

Md. Azadul Kabir Arzoo

প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন

Founder & Executive Director, Jagorani Chakra Foundation

৫ এপ্রিল ১৯৫৩ — ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ · এনায়েতপুর, যশোর, বাংলাদেশ

5 April 1953 — 24 January 2026 · Enayetpur, Jashore, Bangladesh

মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষা-আন্দোলনের কর্মী, কবি — এবং এমন একজন মানুষ যিনি ১৯৭৬ সালে মাত্র আট হাজার টাকা নিয়ে শুরু করা একটি উদ্যোগকে পরিণত করেছিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষের ভরসার জায়গায়।

Freedom fighter, literacy-movement organiser, poet — and the man who turned an eight-thousand-taka beginning in 1976 into a source of livelihood and dignity for hundreds of thousands of families.

Md. Azadul Kabir Arzoo
১৯৫৩ – ২০২৬
যে মানুষটি ছিলেনWho he was

এক জীবন, মানুষের জন্য নিবেদিত

A life given to people

মুক্তিযুদ্ধের ময়দান থেকে যশোরের প্রত্যন্ত গ্রামের মেঠোপথ — মোঃ আজাদুল কবির আরজুর জীবন ছিল একটানা একটি অঙ্গীকারের নাম: মানুষের পাশে দাঁড়ানো। স্বাধীনতার পরও তিনি দেখলেন, দেশ বদলায়নি সবার জন্য সমানভাবে। যশোর কালেক্টরেটে বাবার অফিসে গিয়ে একদিন দেখেন, চায়ের দোকানদার তথাকথিত 'নিচু জাতের' সুইপার-মেথর-নাপিতদের গা না ছুঁইয়ে সাবধানে দূর থেকে কাপে চা ঢেলে দিচ্ছেন। দৃশ্যটা তাঁকে ক্ষুব্ধ করে তোলে — স্বাধীন বাংলাদেশেও কি মানুষ মানুষকে এভাবে দূরে সরিয়ে রাখবে? সুইপার কলোনিতে গিয়ে দেখেন বিস্তর দারিদ্র্য আর অশিক্ষা; নিজেকে 'শিক্ষিত-সভ্য' ভাবতে লজ্জা হয় তাঁর। সেখান থেকেই কয়েকজন সমমনা বন্ধুকে নিয়ে ১৯৭৫ সালে শুরু করেন বয়স্ক শিক্ষার কাজ — যার হাত ধরেই যাত্রা শুরু আজকের জাগরণী চক্রের।

১৯৭৫ সালের শেষ দিকে যশোরের কয়েকজন তরুণ সহকর্মীর সঙ্গে মিলে যে ছোট্ট উদ্যোগের সূচনা তিনি করেছিলেন — এবং যাতে কারিতাস থেকে বই ছাপার জন্য পাওয়া আট হাজার টাকার সহায়তা প্রথম দিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে — পরবর্তী পাঁচ দশকে তা পরিণত হয় দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনে — আজ যা দেশের ৫০-এর বেশি জেলায় কাজ করছে।

জীবনই জীবন্ত হোক, তুচ্ছ অমরতা।

— হাসিব নেওয়াজ, সম্পাদক, স্মারকগ্রন্থ 'ঐ লোকটা কেমন'
জীবনপথA life, in steps

এক জীবনের পথরেখা

The path of a life

১৯৫৩

জন্ম ও শৈশব

৫ এপ্রিল ১৯৫৩ সালে যশোর সদরের হৈবতপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত, প্রগতিশীল মুসলিম পরিবারে জন্ম। পিতা এ.কে.এম. আমজাদ আলী যশোর জেলা প্রশাসনে কর্মরত ছিলেন, মাতা মোছাম্মৎ আনোয়ারা বেগম। দাদা খোন্দকার আবেদ আলী ছিলেন স্থানীয়ভাবে শ্রদ্ধেয় এক পীর, আর বড় চাচা খান বাহাদুর মৌলানা আহমদ আলী এনায়েতপুরী ব্রিটিশ ভারতে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

১৯৬৯–১৯৭১

ছাত্ররাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধ

স্কুল-কলেজ জীবনেই গল্প-কবিতা লেখা, দেয়ালপত্রিকা প্রকাশ, আবৃত্তি ও মঞ্চনাটকে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে নিজ আগ্রহে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। যশোরের মণিরামপুরে রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন এবং পরে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে; তাঁকে বন্দি রাখা হয় যশোর কারাগারে। ৬ ডিসেম্বর যশোর হানাদারমুক্ত হলে তিনি মুক্তি পান।

১৯৭২–১৯৭৫

পুনর্গঠনের প্রত্যয়

যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে নড়াইলে সোনালী ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। ব্যাংকের কাজ শেষে সন্ধ্যায় নিজে গিয়ে চালাতেন বয়স্ক শিক্ষার কেন্দ্র। এক সন্ধ্যায় ব্যাংকের কাজে দেরি হওয়ায় কেন্দ্র চালাতে পারেননি — সেদিনই বুঝে যান, চাকরি রেখে এই কাজ চালানো যাবে না। পরদিনই নিরাপদ চাকরি ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি উন্নয়নকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

১৯৭৫–৭৭

জাগরণী চক্র প্রতিষ্ঠা

১৯৭৫ সালের শেষ দিকে যশোর শহরতলির চাঁচড়া জেলেপাড়ায় কয়েকজন তরুণ সহকর্মীর সঙ্গে মিলে শুরু করেন নিরক্ষর বয়স্কদের শিক্ষা কার্যক্রম। ১৯৭৬ সালে সংগঠনটি 'জাগরণী চক্র' নামে সাংগঠনিক রূপ পায় — বাংলাদেশের প্রথম দিককার স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর একটি, যার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি — এবং ১৯৭৭ সালে যশোর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে নিবন্ধিত হয়। কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তৎকালীন যশোর জেলা প্রশাসক আবদুল আউয়াল মন্তব্য করেছিলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকেরই সমান অধিকার ও সমান আচরণ পাওয়ার কথা — যা তরুণ আরজু ও তাঁর সহকর্মীদের জন্য হয়ে ওঠে বাড়তি অনুপ্রেরণা।

১৯৮০-এর দশক

মাঠপর্যায়ের কাজ

সমবায় সমিতি, আবাসিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংগঠন — হরিজন সমবায় সমিতির মতো অবহেলিত সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়ে সরাসরি মাঠে কাজ করে গেছেন এই দশকজুড়ে।

১৯৯০-এর দশক

প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশ

সংগঠনের কার্যক্রম বিস্তৃত হয় সমাজ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পয়ঃনিষ্কাশনে; গড়ে ওঠে আনুষ্ঠানিক পরিচালনা কাঠামো, এবং প্রতি বছর বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের সামনে অগ্রগতির হিসাব তুলে ধরতেন তিনি নিজে।

২০০২

প্রান্তিক মানুষের পাশে

১৯৮১ সালে যশোরের যৌনপল্লীতে এক সরকারি জরিপের কাজে গিয়ে তিনি প্রত্যক্ষ করেন যৌনকর্মীদের সন্তানদের প্রতি সমাজের নিষ্ঠুর অবহেলা — মৃত্যুর পরও কবর দেওয়ার অধিকার ছিল না তাঁদের। সেই উপলব্ধি থেকে ২০০২ সালে জাগরণী চক্র সাহসী সিদ্ধান্ত নেয় যৌনকর্মী ও তাঁদের সন্তানদের পাশে দাঁড়ানোর। আজ পর্যন্ত সংস্থার শেল্টার হোম থেকে পুনর্বাসিত হয়েছে ১৯৫ জন সন্তান।

২০০০–২০০৯

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সূচনা

২০০৩ সালে জাপানের এশিয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট (AHI) থেকে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে প্রতিষ্ঠাতা ড. কাওয়াহারার কাছ থেকে সনদ গ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) থেকে পান মাইক্রোফাইন্যান্স খাতে 'বেস্ট প্র্যাকটিশনার অ্যাওয়ার্ড', আর ২০০৯ সালে একই বছরে পান তিনটি সম্মাননা — যশোরের নৃত্যবিতান ও বনলতা সেন ফাউন্ডেশনের সম্মাননা এবং মাদার তেরেসা রিসার্চ কাউন্সিলের ক্ষুদ্রঋণ গোল্ড মেডেল।

২০১৬–২০১৯

বৈশ্বিক স্বীকৃতির ধারা

২০১৬ সালে ভারতের দ্য মাদার তেরেসা কাউন্সিল থেকে সমাজকর্মে সম্মাননা পান, ২০১৮ সালে শের-ই-বাংলা স্মৃতি সম্মাননা। এরপর ২০১৯ সালে আসে একের পর এক স্বীকৃতি — এশিয়ান বিজনেস অ্যান্ড সোশ্যাল ফোরামের ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং লিডার্স অ্যাওয়ার্ড, বিজয় দিবসের ভিক্টরি মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড, ভারতের এন্টারপ্রেনিয়র অ্যাওয়ার্ড (বেস্ট সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট স্টার্টআপ বিভাগে), ইন্ডিয়ান এগ্রিবিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড (বেস্ট রাইটার অ্যান্ড সোশ্যালিস্ট, বাংলাদেশ বিভাগে), এবং ৩০ নভেম্বর ভারতের গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট।

জানুয়ারি ২০২৬

শেষ যাত্রা

২৩ জানুয়ারি ২০২৬-এ পরিবারের সবার সঙ্গে এক কুমিলনমেলায় মিলিত হন তিনি। এর একদিন পরে, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬-এ, তিনি ইন্তেকাল করেন। ঠিক পঞ্চাশ বছর আগে যে কাজ তিনি শুরু করেছিলেন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন আজও সেই কাজ বহন করে চলেছে।

প্রতিষ্ঠানের উত্তরাধিকারThe institution's legacy

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন: ৫০ বছরের যাত্রা

Jagorani Chakra Foundation: a 50-year journey

যে সংগঠন প্রতিষ্ঠায় তিনি নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন, আজ তা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

The organisation whose founding he led is today one of Bangladesh's largest private development bodies.

১৯৭৬–৮৫

প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা

যশোর থেকে শুরু, কারিতাসের প্রথম অনুদান, এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধন, ৫ জেলায় সম্প্রসারণ।

১৯৮৬–৯৫

কর্মপরিধি বিস্তার

দুর্যোগ সাড়াদান, বৃক্ষরোপণ, কৃষি বনায়ন ও শহরাঞ্চলে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু।

১৯৯৬–২০০৫

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন

অতিদরিদ্র পরিবার, ভূমিকম্প-দুর্গত মানুষ ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিশেষ কার্যক্রম।

২০০৬–১৫

বহুমাত্রিক উন্নয়ন

২১ লক্ষ গাছ রোপণ, উচ্চশিক্ষা বৃত্তি, অনাথ শিশুদের আবাসন, ৫৪ জেলায় সম্প্রসারণ।

২০১৬–২৫

মানবিক সাড়াদান ও টেকসই ভবিষ্যৎ

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সাড়াদান, কোভিড-১৯ জরুরি সহায়তা, ৫২ জেলাজুড়ে কার্যক্রম।

৫০
বছরের অবিচ্ছিন্ন কাজ
৫২
জেলায় কার্যক্রম
২১ লক্ষ
গাছ রোপিত
১৯৭৬
প্রতিষ্ঠাবর্ষ
স্বীকৃতিRecognition

পুরস্কার ও সম্মাননা

Awards & honours

১৯৯১

আজিজুর রহমান পাটোয়ারী পুরস্কার

শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য

১৯৯৪

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পুরস্কার

"আমরা ও আমাদের পরিবেশ" বই প্রকাশের জন্য

১৯৯৯

ট্যালেন্ট অনার অ্যাওয়ার্ড

সেমিনার পরিষদ, যশোর

২০০৩

আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সনদ

এশিয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট (AHI), জাপান

২০০৫

বেস্ট প্র্যাকটিশনার অ্যাওয়ার্ড

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) — মাইক্রোফাইন্যান্স খাতে শ্রেষ্ঠ কর্মদক্ষতার জন্য

২০০৯

ট্যালেন্ট অনার অ্যাওয়ার্ড

নৃত্যবিতান, যশোর — শিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য

২০০৯

বেগম রোকেয়া সম্মাননা

বনলতা সেন ফাউন্ডেশন — সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য

২০০৯

ক্ষুদ্রঋণ গোল্ড মেডেল

মাদার তেরেসা রিসার্চ কাউন্সিল

২০১৬

সমাজকর্মে সম্মাননা

দ্য মাদার তেরেসা কাউন্সিল, ভারত

২০১৮

শের-ই-বাংলা স্মৃতি সম্মাননা

সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য

২০১৮–১৯

ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং লিডার্স অ্যাওয়ার্ড

এশিয়ান বিজনেস অ্যান্ড সোশ্যাল ফোরাম — ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

২০১৯

ভিক্টরি মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড

মহান মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজকর্মী হিসেবে বিজয় দিবস স্মরণ সম্মাননা

২০১৯

এন্টারপ্রেনিয়র অ্যাওয়ার্ড

বেস্ট সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট স্টার্টআপ বিভাগে, ভারত

২০১৯

ইন্ডিয়ান এগ্রিবিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড

ভারত

ব্যক্তি আরজুThe private man

সংগঠকের বাইরেও একজন মানুষ

Beyond the organiser

বাংলা সাহিত্যে স্নাতক আজাদুল কবির আরজু ছিলেন একজন কবি ও আবৃত্তিকার, লিখেছেন একাধিক কবিতার বই। পরিবারের প্রতি ছিল তাঁর গভীর মমতা ও দায়বদ্ধতা। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মৃত্যুর পর নিজের দেহ চিকিৎসা-গবেষণার জন্য দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন — শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মানুষের কাজে লাগার সেই একই অঙ্গীকার।

Md. Azadul Kabir Arzoo
কর্মক্ষেত্রের বিস্তারBeyond Jagorani Chakra

সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও রচনা

Organisational involvement & writings

সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা

  • ১৯৮৬–৯০ ভলান্টারি হেলথ সার্ভিসেস সোসাইটি (VHSS) — নির্বাহী কমিটি সদস্য
  • ১৯৯১–৯৫ SCI-Bangladesh — সহ-সভাপতি
  • যশোর নাইট স্কুল — প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
  • চারুপীঠ আর্ট স্কুল, যশোর — প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

রচনা ও প্রকাশনা

  • জাগরণের পথে
  • আমরাও মানুষ
  • বোকা বলে গরিব
  • যুগের ডাক
  • শব্দজ্ঞান
  • আমাদের দাবি মানতে হবে
  • বাউল হৃদয় (কবিতা)

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন

প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আজাদুল কবির আরজুর স্বপ্ন ও অঙ্গীকার নিয়ে আজও এগিয়ে চলেছে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন।

১৯৫৩ – ২০২৬ · জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, যশোর, বাংলাদেশ

Make a Call

Tel: +88-042168823

Our Location

46 Mujib Sarak, Jessore-7400, Bangladesh.

Send A Message

E-mail: jcjsr@ymail.com

Lodge a Complaint Online

Helps you to get justice

JCF Nari Forum

Mobile Number: +8801---------